চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা মেয়র ডা. শাহাদাতের
চট্টগ্রামকে পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা মেয়র ডা. শাহাদাতের
নিজস্ব প্রতিবেদক,:: চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউরী মোড় থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ফুটপাত ও সড়কে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। মঙ্গলবার বিকেলে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সরাসরি নেতৃত্বে এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।
নগরের ফুটপাত সাধারণ পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখতে এবং যানজট নিরসনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
অবৈধ হকার ও স্থাপনা: কাজীর দেউরী থেকে লালখান বাজার পর্যন্ত ফুটপাত দখল করে বসা শতাধিক অবৈধ হকার ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
ব্যানার-পোস্টার অপসারণ: সড়ক ও ফুটপাতের সৌন্দর্যহানি ঘটানো বিভিন্ন অবৈধ ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টার নামিয়ে ফেলা হয়।
যানজট নিরসন: ফুটপাত দখলমুক্ত করার ফলে পথচারীদের চলাচলের পথ সুগম হয়।
মেয়রের কড়া বার্তা: “পুনরায় দখল করলে আইনি ব্যবস্থা”
অভিযানকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জানান, নগরের ফুটপাত কেবল পথচারীদের জন্যই নির্ধারিত। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিগত স্বার্থে ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালাতে পারবে না।
পুনরায় দখল রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মেয়র বলেন,”শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; অভিযানের পর যাতে পুনরায় ফুটপাত দখল না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। শিগগিরই পুরো নগরে আরও জোরালো ও সমন্বিতভাবে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে।”
সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ট্রাফিক বিভাগকে নিয়মিত মনিটরিং করার নির্দেশ দিয়ে তিনি আরও বলেন, উচ্ছেদকৃত স্থানে নজরদারি না রাখলে পরিস্থিতি আগের মতো হয়ে যায়। তাই সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত তদারকি বাড়াতে হবে এবং কেউ আইন অমান্য করে ফের দখল করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও যানজটমুক্ত তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে চসিক মেয়র বলেন, নগরবাসীর চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশনের এমন ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। তবে শুধু প্রশাসনের এক পক্ষে এটি সম্ভব নয়; এজন্য নগরবাসী ও ব্যবসায়ীদেরও আইন মেনে চলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
উচ্ছেদ অভিযানে চসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।