সেনা ফিলিং স্টেশনে সাংবাদিকদের সাথে কর্মচারীর অপেশাদার আচরণ,তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
সেনা ফিলিং স্টেশনে সাংবাদিকদের সাথে কর্মচারীর অপেশাদার আচরণ,তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ।
নিজস্ব প্রতিবেদক : চট্টগ্রাম শোলশহর এলাকায় অবস্থিত সেনা ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে সাংবাদিক রেজা ও সানির সাথে চরম দুর্ব্যবহার ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে ম্যানেজার হাবিব নামক এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী সাংবাদিক রেজা ও সানির সূত্রে জানা যায়, [৮এপ্রিল বুধবার রাত ৮. ৩০ মিনিটে] পেশাগত কাজে তথ্য সংগ্রহের জন্য সাংবাদিকরা অফিসিয়াল কাজে বের হন ঐসময় সাংবাদিকদের মোটরসাইকেলের তেল প্রয়োজন হলে উক্ত ফিলিং স্টেশনে যান। ভোক্তভোগী সাংবাদিক সেখানে থাকা কর্মচার বাদল হোসেন কর্মচারীকেকে জরুরি অফিসের কাজে যাবেন বললে বাদল হোসেন ভিআইপি গেট দিয়ে ঢোকে তেল সংগ্রহ করতে অনুমতি দেন। কিন্তু দূর থেকে এসে হাবিব নামে একজন মাইক হাতে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তিনি সাংবাদিকদের সাথে অত্যন্ত অশোভন ও আক্রমণাত্মক আচরণ শুরু করেন।এসময় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন ভাষা ব্যবহার করেন হাবিব। একপর্যায়ে হাবিব ঐ সাংবাদিককের বলেন, আপনার গাড়ীতে তেল আছে তারপরও কেন তেল নিচ্ছেন উত্তরে সাংবাদিক বলেন আমি অফিসের কাজে অনেক দূরে যাবো তাই তেল নিয়ে নিচ্ছি এ কথা শুনার পরে কর্মচারী হাবিব সাংবাদিকদের বাটপার ও চিটার বলে দূর্ব্যবহার করেন এবং তার সামনে থাকা প্রেস স্টিকার খুলে ফেলার হুমকি দেন। হাবিব উত্তেজিত হয়ে কর্মচারীদের বলেন এই বাইকের ছবি তুলে রাখতে ভবিষ্যতে যাতে তেল নিতে না পারে। কর্মচারীদের নির্দেশ দেন সাংবাদিকদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে। সাংবাদিকরা পরে জানতে পারেন হাবিব ঐ ফিলিং স্টেশন এর কর্মচারী।
এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন পেশাগত দায়িত্ব পালনে যাওয়ার পথে তেল সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সাথে এমন অপেশাদার আচরণ প্রমাণ করে সাংবাদিকরা কোথাও নিরাপদ নয় । একজন সাধারণ কর্মচারী হয়ে সাংবাদিকদের সাথে এমন আচরণ দুঃজনক। সেনা ফিলিং স্টেশন চট্টগ্রামে অত্যান্ত স্বনামধন্য একটি প্রতিষ্টান,এখানে এমন কর্মচারী থাকা উচিত নয়।
ফিলিং স্টেশনটির সুনাম রক্ষার্থে এবং ভবিষ্যতে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা রোধে অভিযুক্ত কর্মচারী হাবিবের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা।
এই বিষয়ে সেনা ফিলিং স্টেশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কারো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।