চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সরওয়ার বাবলার সেকেন্ড ইন কমান্ড সন্ত্রাসী রাশেদকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদগাঁও থানা পুলিশ
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট : চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সরওয়ার বাবলার সেকেন্ড ইন কমান্ড চাঁদাবাজি ও একাধিক মামলার আসামী সন্ত্রাসী রাশেদকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদগাঁও থানা পুলিশ! তার গ্রেপ্তারে এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
২৩ ফেব্রুয়ারী সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সন্ত্রসী রাশেদকে তার এলাকার নিজ আস্তানা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা গেছে শীর্ষ সন্ত্রাসী সরওয়ার বাবলার সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পরিচিত সন্ত্রসী রাশেদ (৩৫) পিতা- মৃত এজাহার মিয়া অদুর পাড়া, দক্ষিণ বাড়ি.. ছমদ আলী মাঝির বাড়ি.. ৪নং ওয়ার্ড..থানা- চান্দগাঁও। সে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদগাও অদুরপাড়া এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছিল। শীর্ষ সন্ত্রসী সরওয়ার বাবলার মৃত্যুর পর সে শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে এলাকায় নিজেকে পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চাঁদগাও এলাকার একাধিক ব্যবসায়ী জানান, রাশেদ দীর্ঘদিন ধরে এলাকার ব্যবসায়ী, বাড়িওয়ালা এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা না দিলে সবাইকে অস্ত্র দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিতো। এবং শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি সে এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রসী বড় সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে সাথে সাথে অভিযানে নামে পুলিশ।
অভিযানের বিষয়ে চাঁদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “রাশেদ এলাকার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে চিনতাই, চাঁদাবাজি, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখাতো সে। ওসি আরও বলে চট্টগ্রামের আগ্রবাদসহ তার বিরুদ্ধে বহু মামলা রয়েছে। সোমবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শীর্ষ সন্ত্রাসী এই রাশেদ গ্রেপ্তারের খবরে এলাকায় স্বস্তি নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, “রাশেদের যন্ত্রণায় আমরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারছিলাম না। তাকে গ্রেপ্তার করায় আমরা এখন নিরাপদ বোধ করছি। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।” কারাগার থেকে ফিরে এসে যাতে আবার চিনতাই চাঁদাবাজি করতে না পারে সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন ভুক্তভোগীরা।
পুলিশ জানায়, রাশেদকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এবং এলাকায় আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে তার সহযোগীসহ সন্ত্রসী কেউ থাকলে তাকেও ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।