বেপরোয়া রাবিপ্রবি ভিসি আতিয়ার!
সাময়িক বরখাস্ত, অফিস সীলগালা, গাড়ি ছিনিয়ে নেওয়ার পর এবার পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক পদটি দখল করেছেন রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান।
গত রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জুনাইদ কবিরের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ নিয়ে তিনি পরিচালকের দপ্তর দখল করেন। এরআগে গত ৭ জানুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আয়োজিত শোকসভায় উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালকের মধ্যে নজিরবিহীন বাকবিতণ্ডা ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে।
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ওই-দিনগত রাতে প্রকল্প পরিচালক ও পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল গফুরকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর পরের দিনই কোনো ধরনের নোটিশ বা অফিস আদেশ ছাড়াই পরিচালকের দপ্তর সীলগালা করান ভিসি ড. মো. আতিয়ার রহমান। পুলিশ দিয়ে ছিনিয়ে নেন আবদুল গফুরের ব্যবহারিত সরকারি গাড়ি।
যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক পদে নিয়োগ, পদায়ন-পদোন্নতি বা বরখাস্ত করার কোনো এখতিয়ার ভিসি বা এর দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কারোই নেই বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তাদের ভাষ্য, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক নিয়োগ, পদায়ন, পদোন্নতি বা বরখাস্ত করে শিক্ষামন্ত্রণালয়। তবে পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালকের কোনো অন্যায় বা অযাচিত কোনো কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় তদন্ত কমিটির করে সেই তদন্তের প্রতিবেদন সুপারিশসহ শিক্ষামন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপন (২য় সংশোধন) শীর্ষক প্রকল্প ও পরিবল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস পরিচালক আবদুল গফুরের বলেন, ভিসির জামাতপ্রীতি, সেচ্চাচারীতা ও দূর্নীতির বাস্তব চিত্র প্রমাণকসহ তুলে ধরার কারণেই মূলত রোষানলে পড়েছেন তিনি। নিজের অপরাধ আড়াল করতে গিয়ে ভিসি বিনা নোটিশ ও কারণ র্দশানো ছাড়াই পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালকের পদ থেকে আবদুল গফুরকে সাময়কি বরখাস্ত করে। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি ও বিধি বহিঃর্ভূত।
আবদুল গফুর বলেন, প্রথমত মন্ত্রণালয়ে প্রজ্ঞাপনে/অফিস আদেশে নিয়োগ প্রাপ্ত পিডিকে বহিস্কার করার ক্ষমতা এবমাত্র মন্ত্রণালয়ের রয়েছে। তাছাড়া তিনি কোন কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেননি। শুধুমাত্র ব্যাক্তি আক্রোশে এবং বিএনপি বলে রাজনৈতি প্রতিহিংসায় সাময়িক বহিস্কার করে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট বিধি মোতাবেক অবৈধ। এই বিষয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের নিকট রাবিপ্রবির ভিসি অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমানের অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
নিয়োগ ও কোটা নিয়ে বিতর্ক
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২জন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। এরমধ্যে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ২১ জনকে নিয়োগ করা হয়। তাছাড়া পার্বত্য বিধি অনুযায়ি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠির মধ্য থেকে কিছু সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ করার কথা।
তবে এই নিয়োগে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পার্বত্য বিধি কিছুই মানেননি বিশ্ববিধ্যালয়ের ভিসি ড. আতিয়ার রহমান। অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮জন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। এদের মধ্যেও পার্বত্য চট্টগ্রামের কোনো অধিবাসী নাই। নিয়োগপ্রাপ্তরা সকলেই সমতলের এবং ভিসির রাজনৈতিক মতাদর্শের লোক।
আবদুল গফুর বলেন, ৯ম গ্রেডের এন্ট্রি পোস্টে ৩২ (বত্রিশ) বছর পর্যন্ত বয়সসীমা নিয়োগ নীতিমালায় উল্লেখ থাকলেও তিনি ৩৬ (ছয়ত্রিশ) বছর পর্যন্ত এমনকি ৪২ (বিয়াল্লিশ) বছর পর্যন্ত প্রভাষক পদে নিয়োগ করা হয়েছে। যাদের মধ্যে ফৌজদারী মামলার আসামী রয়েছে। পদ না থাকা সত্বেও তিনি অধ্যাপক এবং সহযোগী অধ্যপকের পরিবর্তে প্রভাষক পদে নিয়োগ প্রদান করেন যা বিধী বহিঃর্ভূত।
শোকসভায় অডিও রেকর্ড ও হট্টগোল
গত ৭ জানুয়ারি (বুধবার) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-১ এর সভাকক্ষে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ কবিরের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভিসি অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান।
সভার শেষ পর্যায়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় ভিসি উপস্থিত সবার সামনে সাউন্ড স্পিকারে একটি অডিও রেকর্ড বাজিয়ে শোনান। সেখানে প্রকল্প পরিচালক আব্দুল গফুরের সঙ্গে একজন সংবাদকর্মীর কথোপকথন শোনা যাচ্ছিল।
ভিসি দাবি করেন, তাঁর হাতে এমন পাঁচটি অডিও ক্লিপ এসেছে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থবিরোধী। সভাস্থলে উপস্থিত আব্দুল গফুর এ সময় উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং উপাচার্যের সঙ্গে তাঁর তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আব্দুল গফুর উপাচার্যকে অসৎ লোক হিসেবে আখ্যা দেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট একটি রাজনৈতিক মতাদর্শের লোকদের চাকরি দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। পরে উপস্থিত কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
সাময়িক বরখাস্ত ও কঠোর নিষেধাজ্ঞা
শোকসভার ওই উত্তপ্ত ঘটনার পর গত বুধবার রাতেই ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. জুনাইদ কবিরের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে আব্দুল গফুরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, আব্দুল গফুরের বিরুদ্ধে আইসিটি সংক্রান্ত অপরাধ, শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ড, প্রশাসনে অস্থিরতা তৈরি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।
রিজেন্ট বোর্ডের সভায় এসব অভিযোগ নিয়ে বিশদ আলোচনার পর সদস্যদের সম্মতিক্রমে তাঁকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বরখাস্ত থাকাকালীন আব্দুল গফুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান বা অনুপ্রবেশ করতে পারবেন না এবং বিধি অনুযায়ী কেবল খোরপোষ ভাতা পাবেন।
রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত ও প্রেক্ষাপট
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, শোকসভা অনুষ্ঠানের আগেই ৭ জানুয়ারি (বুধবার) সকালে ভিসি রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যদের নিয়ে সভা করেন। সেখানে আব্দুল গফুরের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়। প্রশাসনের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিরতা তৈরি ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় রিজেন্ট বোর্ড তাঁকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছিল।
শোকসভায় হট্টগোলের ঘটনার পর রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে বরখাস্তের চিঠি প্রকাশ করা হয়। সভায় উপস্থিত কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা জানিয়েছেন, উপাচার্য যখন অডিও রেকর্ড বাজান, তখন আব্দুল গফুর দাঁড়িয়ে গিয়ে উপাচার্যের বিরুদ্ধে জামায়াত-শিবির ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ আনেন এবং উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
সচিবালয়ে পাল্টা অভিযোগ আব্দুল গফুরের
চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পরদিন বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আব্দুল গফুর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব এবং বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
ওই অভিযোগে তিনি ভিসি ড. আতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে অবৈধ ও নিয়মবহির্ভূতভাবে বরখাস্তের আদেশ দেওয়ার দাবি তুলে ধরেছেন। আব্দুল গফুর নিজেকে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক পরিচয় দিয়ে ভিসি ‘জামায়াত ঘরানার লোক’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তাঁর দাবি, ভিসি হিংসার বশবর্তী হয়ে এসব বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছেন। অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ভিসি স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির মাধ্যমে ২১ জন জামায়াত-শিবির ঘরানার শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন এবং নিয়োগ পাওয়া কোনো কর্মকর্তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসী নন।
পূর্ত এবং সাপ্লাই কাজে পছন্দের ঠিকাদার নিয়োগ
বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে জন্য যশোর থেকে নিজস্ব মতাদর্শের ও আত্বীয় ঠিকাদার নিয়ে এসেছেন ভিসি। এক্ষেত্রে কোনো রকম নিয়মনীতি তোয়াক্ষা না করে অবৈধভাবে পূর্ত এবং সাপ্লাইয়ের বিভিন্ন কাজ তাদের প্রদান করেন।
জাময়াত-শিবিরের আঁতুরঘর
তিনি যোগদানের পর রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি জামাতের দৃশ্যমান আঁতুরঘরে পরিণত করেছেন। তিনি রাবিপ্রবির ভিসি হলেও প্রায় সময় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের সভা-সেমিনারে ব্যস্ত সময় পার করেন ড. আতিয়ার রহমান। এমনকি গত চাকসু নির্বাচনের সময় দীর্ঘ সময় পার করেন শিবিরকে জেতাতে।
তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় পত্র পত্রিকায় এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ইতোমধ্যে দূর্নীতির খবর প্রকাশিত হয়েছে। অপরদিকে রাবিপ্রবি’র পূর্বের চাকুরিরত প্রত্যেক শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে বিভিন্ন উচ্চ পদ থেকে অন্যায়ভাবে অপসারণ করেন। যেমন তিনি ডিনদের-কে অপসারণ করে তার মতাদর্শের লোকদের-কে ডিন হিসেবে নিয়োগ করেন।
নিয়োগে অবৈধ লেনদেন
অভিযোগ রয়েছে, ভিসি ময়মনসিংহের এক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর এর কাছ থেকে বিভিন্ন রকম সুযোগ সুবিধা নিয়ে মতাদর্শের জামাতপস্থী লোককে রিজেন্ট বোর্ডের মেম্বার করেন। অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন আনুয়ায়ি রাঙ্গামাটি চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি ও জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এবং রাঙ্গামাটি জজ কোর্টের জিপিকে রির্জেন্ট বোর্ড গঠনের সদস্য করার নিয়ম থাকলেও তিনি এর কিছুই মানেননি। এমনকি পূর্বের সকল শিক্ষক প্রতিনিধিকে রিজেন্ট বোর্ড থেকে বাদ দিয়ে তার নিজের লোককে বসিয়েছেন তিনি।
স্মৃতি স্তম্বে ছাত্রদলের অর্পনকৃত পুষ্প স্থবক ছুড়ে ফেলা
রাঙ্গামাটি জেলা ও রাবিপ্রবি ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানান, ভিসি জাতীয় দিবসের দিন বিশ্ববিদ্যালয় স্মৃতি স্তম্বে ছাত্রদলের অর্পনকৃত পুষ্প স্থবক নিজ হাতে ছুড়ে ফেলে দেন। এই নিয়ে রাঙ্গামাটিতে সমালোচনার পাশাপাশি চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নিয়োগ ও অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান ভিসির
এই বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. আতিয়ার রহমান প্রকল্প পরিচালক আব্দুল গফুরের তোলা সব অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি জানান, আব্দুল গফুরের শিক্ষাজীবনে দুটি তৃতীয় বিভাগ রয়েছে এবং তিনি একজন চরম দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি।
উপাচার্য ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আব্দুল গফুরের চুলের আগা থেকে পায়ের তলা পর্যন্ত শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে উপাচার্য বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৪ শতাংশ কোটা নিশ্চিত করা হলেও শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো আঞ্চলিক কোটা নেই, নিয়োগ দেওয়া হয়েছে মেধার ভিত্তিতে। আব্দুল গফুরকে একজন চরম দুর্নীতিবাজ হিসেবে উল্লেখ করে উপাচার্য জানান, রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্তে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার প্রস্তুতি চলছে এবং কোনো বিনিময়ই তিনি পার পাবেন না।
সূত্র—দেশের কথা